রবিবার, জুন ১৬, ২০২৪

কোরবানি ইসলামিক নয় - ঈদ উল আযহার দিন বাড়িতে কোরবানি করতে আল্লাহ্‌ তায়ালা হুকুম করেন নি।

আবু রায়হান মুহম্মদ খালিদ[1]

 সারাংশঃ

কোরবানির আইন হল যে কোন মুসলমান নিসাব পরিমান, অর্থাৎ সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মালিক হলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। কিন্তু এ আইন আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের ওপর আদেশ করেন নি। আল্লার তায়ালা প্রেরিত গ্রন্থ আল কুর’আনুল আজিমের কোথাও এই আইনের একটি কথাও নেই। এ সকল  মানুষের রচিত ফতোয়া বা মানুষের আইন। কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার আইনের দলীল হিসেবে আল কোর’আনুল আজিমের কোন আয়াত কেউ কোথাও দাখিল করেন নি। তাই কোরবানি ইসলামিক নয়।

সুচনাঃ

প্রথম এই প্রশ্নটি করুনঃ কোরবানি করার শরিয়া বা আইন কি ও তা কোথায় আছে?

উৎস সহ কোরবানির আইনটি খুঁজে পাওয়া কঠিন। অধিকাংশ রচনায় শুধু আইনটি বলা আছে; সে আইন কোন গ্রন্থ বা উৎস থেকে নেয়া, তার তথ্য দেয়া নেই। আমরা অনেক অনুসন্ধান করে বাংলাদেশে প্রকাশিত রচিত এই নির্ভরযোগ্য উৎসগুলো খুঁজে পেয়েছিঃ

১। উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান মারকাযুদ দাওয়াহ আল ইসলামিয়া, ঢাকার মুখপত্র মাসিক আল-কাউসার[2] পত্রিকার মতে এই আইনটি নিন্মরুপঃ

“কার উপর কুরবানী ওয়াজিব

মাসআলা: প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ যিলহজ্ব ফজর থেকে ১২ যিলহজ্ব সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কুরবানীর নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

আর নেসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি, টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হল- এর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায় তাহলেও তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। -আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৪৫৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৭/৪০৫”[3]

ফতোয়া আরকাইভ নামে একটি ডিজিটাল বাংলা ভাষার ফতোয়া সংগ্রহ ওপরের এই ফতওয়াটি উদ্দ্রিত করেছে[4]

আল কাউসার পত্রিকা কত্রিপক্ষ অন্যত্র উপরোক্ত দুই উৎসের সাথে তৃতীয় আরেকটি উৎস যোগ করেছেন এই ফতোয়ার সূত্র হিসেবেঃ “বাদায়েউস সানায়ে ৪/১৯৬,”[5]

২। মুফতি মোহাম্মদ শোয়েইব, সম্পাদক, মাসিক আল-হেরা, তাঁর ইংরেজি ভাষায় রচিত “রুলস অফ কুরবানি, (১১ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে ডেইলি সান পত্রিকায় প্রকাশিত রচনায় কোরবানির আইন বর্ণনা করেনঃ

“On whom Qurbani is Wajib (obligatory)?

It is obligatory for every adult Muslim male and female who has the ownership of wealth equivalent to 612.36g of silver or 87.48g of gold on the Day of Eid-ul-Azha from 10st Zil-Hajj Fajr to 12 Zil-Hajj sunset. (Raddul Muhtar p.171 v.3)”[6].

৩। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউনডেশন কুরবানির নিন্মবর্ণীত আইন প্রদান করেনঃ

“কুরবানির শর্তাবলী

কুরবানি ওয়াজিব হওয়ার শর্ত সমুহ নিন্মরুপঃ

ক। নিসাব পরিমান মালের মালিক হওয়া। অর্থাৎ যার ওপর সাদকায়ে ফিতর ওয়াজিব, তার ওপর কুরবানিও ওয়াজিব… (আলমগীরী, ৫ম খণ্ড)”[7]

“যার ওপর কুরবানি ওয়াজিব”

“যার নিকট থাকার জন্য ঘরবাড়ি, খানাপিনার আসবাবপত্র, ব্যবহারের কাপড়-চোপড়, সাওয়ারী ও অন্যান্য মৌলিক প্রয়োজনীয় জিনিস্পত্র ছাড়া সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা থাকবে, অথবা সে পরিমান অরথ থাকবে তাঁর ওপর কুরবানি ওয়াজিব” (আলমগীরী, ৫ম খণ্ড)”[8]

তাহলে কোরবানির আইনের উৎস হিসেবে আলেমগন ৫টি গ্রন্থের নাম প্রদান করেছেনঃ

১। আলমুহীতুল বুরহানী;

২। ফাতাওয়া তাতারখানিয়া;

৩। বাদায়েউস সানায়ে; ও

৪। Raddul Muhtar

৫। আলমগীরী

এখন আমরা দেখবো এই গ্রন্থ পাঁচটি কারা রচনা করেছেন।

১। আল মুহীতুল বুরহানী

আল-মুহীতুল বুরহানী একটি খুব প্রচলিত ফতোয়ার বই। বইটির সম্পূর্ণ নাম ‘Al-Muhit Al-Burhani fi Al-Fiqh Al-Nu'mani, Fiqh Imam Abu Hanifa’, আর এর রচয়িতার নাম Abu Al-Maali Burhan Al-Din Mahmoud Ibn Ahmed Ibn Abdul-Aziz Ibn Omar Ibn Maza Al-Bukhari (D. 616 A.H)[9]এই লেখকের সম্বন্ধে অনেক খুঁজেও আমরা তেমন কোন তথ্য পাইনি, যদিও এঁর বইটি মুসলমানদের মধ্যে সারা দুনিয়েতে বিখ্যাততাঁর নাম Shaikh Mahmood Ibn Mazah Al Bukhari হিসেবেও সংক্ষেপে লেখা হয়[10]

২। ফাতাওয়া তাতারখানিয়া

আল্ ফতোয়া তাতারখানিয়া দিল্লীতে রচিত একটি ফতোয়ার বই। এটি লিখেছেন শেইখ আলিম বিন আলা ইন্দরপতি, ইনি ১৩৮১ খৃষ্টাব্দে মৃত্যু বরন করেন (তথ্যসুত্র নিন্মে প্রদত্ত)। এর সম্বন্ধে অনুসন্ধান করে আমরা এই তথ্য পেয়েছিঃ

“Fatawa Tatarkhania is an early and authentic text on Hanafi Jurisprudence from Delhi. It is considered as one of the greatest Islamic heritages and academic masterpiece left behind by the Delhi Sultanate in India. This compilation serves as the encyclopedia of Islamic jurisprudence and fatwa literature. It is considered one of the reference books for the future works on Hanafi Fiqh. It was compiled by Shaykh ‘Aalim bin ‘Ala Indarpati (d. 1381/786AH) in the reign of Sultan Feroz Shah Tughlaq (i.e. 1351-1389), but it was attributed to a notable noble Tatar Khan for his patronage of learning class and ulama”[11].

“Tatarkhniya is now published in 23 thick volumes and 14300 pages, containing 33778 rulings and more than 10000 references from the Quran and Hadith”[12].

৩। বাদায়েউস সানায়ে

এই বইটির পূর্ণ নাম ‘Bada'i' as-Sana'i' fi Tartib ash-Shara'i'’ (Marvellous artistry in the arrangement of the religious-legal regulations)[13], এটি রচনা করেছেন ইমাম কাসানি। ইমাম কাসানির পূর্ণ নাম “'Ala' al-Din al-Kasani, known as Al-Kasani or al-Kashani, was a 12th Century Sunni Muslim Jurist who became an influential figure of the Hanafi school of Sunni jurisprudence”[14]। ইনি ১১৯১ খৃষ্টাব্দে মৃত্যুবরন করেন[15]

৪। Raddul Muhtar (রাদ্দ আল-মুহতার)

অনুসন্ধানে এই বইটি সম্পর্কে নিন্মবর্ণীত তথ্য জানা যায়ঃ

“Radd al-Muhtār 'ala al-Durr al-Mukhtār is a book on Islamic jurisprudence (fiqh) by 18th century Islamic scholar, Ibn 'Abidin, whose title translates to "Guiding the Baffled to The Exquisite Pearl".

Radd al-Muhtar is a "hashiyah" (an annotative commentary) on `Ala' al-Din al-Haskafi's work of Islamic jurisprudence, Durr al-Mukhtār fi Sharh Tanwīr al-Absār. It is widely considered as the central reference for fatwa in the Hanafi school of Sunni legal interpretation. Scholars of the Indian subcontinent often refer to Ibn Abidin as "al-Shami" and to this hashiyah as "al-Shamiyya" or "Fatawa Shami".[16]

বইটির লেখক ইবনে আবিদিন, তাঁর পূর্ণ নাম “Muammad Amīn ibn ʿUmar ibn ʿAbd al-ʿAzīz ibn Amad in ʿAbd ar-Raḥīm ibn Najmuddīn ibn Muammad alāḥuddīn al-Shāmī, died 1836 CE / AH 1252),[3][4] known in the Indian subcontinent as al-Shami, was an Islamic scholar and Jurist who lived in the city of Damascus in Syria during the Ottoman era”[17]

৫। আলমগীরী

‘আলমগীরী’ হল ‘ফতোয়ায়ে আলমগিরি’। অনুসন্ধানে আমরা বইটি সম্পর্কে এই তথ্য জানতে পারিঃ “কথিত আছে যে, ১০০ হানাফি আলেম কিতাবটির সম্পাদনায় অংশগ্রহণ করেন। সম্পাদক-মন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শায়খ নিজামুদ্দিন। তার জন্ম তারিখ পাওয়া যায় না। তার মৃত্যু ১১০৩ হিজরীতে বলে জানা যায়। ফতোয়ায়ে-হিন্দীয়া লেখা হয় ১১০৩ হিজরীতে”[18]

“আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দীয়া বা আল-ফাতাওয়া আল-আলমকিরীয়া নামেও পরিচিত একটি ইসলামী আইন সংকলন, যা ৫৪ বছর ধরে অধিকাংশ ভারতীয় উপমহাদেশের রাষ্ট্রশিল্প, সাধারণ নৈতিকতা, সামরিক কৌশল, অর্থনৈতিক নীতি, ন্যায় বিচার এবং শাস্তির উপর আইন সংকলন ছিল। মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের নির্দেশে এই সংকলন প্রণীত হয়।"ভারতে তৈরি মুসলিম আইনের সর্বশ্রেষ্ঠ নিদর্শন" হিসাবে ঘোষণা করা হয়, সংকলনটি ব্যাপকভাবে ইসলামিক আইনশাস্ত্রের (ফিকহ) ক্ষেত্রে সবচেয়ে সুসংগঠিত কাজগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচিত হয়েছে”[19]

তাহলে দেখা যায় যে কোরবানি যে আইনে ওয়াজিব বা বাধ্যতামূলক হয়, তা আল্লাহ্‌ তায়ালার আইন নয়। আল্লার তায়ালা প্রেরিত গ্রন্থ আল কুর’আনুল আজিমের কোথাও এই আইনের একটি কথাও নেই। এ সকল  মানুষের রচিত ফতোয়া বা মানুষের আইন। কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার আইনের দলীল হিসেবে আল কোর’আনুল আজিমের কোন আয়াত কেউ কোথাও দাখিল করেন নি।

দীনের আইন দেয়ার অধিকার একমাত্র আল্লাহ্‌ তায়ালার, মানুষের দীনের আইন দেয়ার কোন অধিকার নেই। আল্লাহ্‌ তায়ালা আল কুর’আনুল আজিমে ইরশাদ করেনঃ আউজুবিলাহি মিনাশাইতানির রাজিম, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,

"কুল ইননি আলা বায়য়িনাতিন মিন রাববি ওআ-কাজজাবতুম বিহি মা ইনদি মা তাসতাজিলুনা বিহি ইনি ল-হুকমু ইললা লি-ললাহি য়াকুসসু ল-হাককা ওআ-হুওআ খায়রু ল-ফাসিলিন", সুরা আন'আম, আয়াত ৫৭।

অর্থঃ "তুমি বলঃ আমি আমার রবের প্রদত্ত একটি সুস্পষ্ট উজ্জ্বল যুক্তি প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত, অথচ তোমরা সেই দলীলকে মিথ্যারোপ করছো। যে বিষয়টি তোমরা খুব তাড়াতাড়ি পেতে চাও তার এখতিয়ার আমার হাতে নেই। হুকুমের মালিক আল্লাহ ছাড়া আর কেহ নয়, তিনি সত্য ও বাস্তবানুগ কথা বর্ণনা করেন, তিনিই হচ্ছেন সর্বোত্তম ফাইসালাকারী।" (মুজিবুর রহমান এর অনুবাদ)

ভাষ্য, উচ্চারন ও অনুবাদঃ https://quranhadithbd.com/sura/6?s=57

একই বক্তব্য সুরা ইউসুফের ৪০ নং আয়াতেঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,

"মা তাবুদুনা মিন দুনিহি ইললা আসমাআন সামমায়তুমুহা আনতুম ওআ-আবাউকুম মা আনযালা ললাহু বিহা মিন সুলতানিন ইনি ল-হুকমু ইললা লি-ললাহি আমারা আললা তাবুদু ইললা ইয়য়াহু জালিকা দ-দিনু ল-কায়য়িমু ওআ-লাকিননা আকসারা ন-নাসি লা য়ালামুন", সুরা ইউসুফ, আয়াত ৪০

অর্থঃ "তাকে ছেড়ে তোমরা শুধু এমন কতকগুলি নামের উপাসনা করছ যা তোমরা এবং তোমাদের পিতৃপুরুষরা রেখে নিয়েছ। এইগুলির কোন প্রমাণ আল্লাহ অবতীর্ণ করেননি। বিধান দেওয়ার অধিকার শুধু আল্লাহরই। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তিনি ছাড়া আর কারোও উপাসনা করবে না। এটাই সরল-সঠিক দ্বীন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এটা অবগত নয়।" [তাফসীরে আহসানুল বায়ান অনুবাদ]

ভাষ্য, উচ্চারণ, ও অনুবাদঃ https://quranhadithbd.com/sura/12

লক্ষ্য করুন আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন "ইনি ল-হুকমু ইললা লি-ললাহি", অর্থাৎ "বিধান দেওয়ার অধিকার শুধু আল্লাহরই"। আর কেউ, এমনকি নবী রসূলগনও, হুকুম বা আদেশ নিষেধ দিতে বা জারি করতে পারেন না।

অতএব, ওয়াজিব বা বাধ্যতামূলক দীনের ইবাদত মনে করে আমরা যে ঈদুল আযহার দীনে পশু কোরবানি ক্রি, তা আল্লাহ্‌ তায়ালার হুকুম নয়, মানুষের হুকুম। আল্লাহ্‌ তায়ালা তাঁর ব্ব্যাতিত অন্যের হুকুম দেয়ার অধিকার দেন নি। মানুষের হুকুম মেনে ইবাদত করলে এতে সে মানুষের ইবাদত হয়, আল্লাহ্‌ তায়ালার ইবাদত হয় না।

আল্লাহ্‌ ব্যাতিত অন্য কারো ইবাদত করা শিরক।



[1] ব্যারিস্টার; অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। টেলিফোনঃ 01715941751; রচনাটি ১৬ই জুন ২০২৪ খৃষ্টাব্দ তারিখে রচিত।

[2] পত্রিকার ওয়েবসাইটঃ https://www.alkawsar.com/bn/। মাসিক আলকাউসার । সম্পাদক ও প্রকাশক: আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ । সম্পাদকীয় বিভাগ, মারকাযুদ্ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা, হযরতপুর, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা – ১৩১৩, ফোন : ০১৯৮৪ ৯৯ ৮৮ ২২, ই-মেইল : info@alkawsar.com, Facebook পেজঃ https://www.facebook.com/alkawsarbd

[3] কুরবানী সংক্রান্ত কিছু জরুরি মাসায়েল, মাওলানা মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া, যিলহজ্ব ১৪৩৮,  সেপ্টেম্বর ২০১৭, https://www.alkawsar.com/bn/article/2154/, ১৬ জুন ২০২৪ তারিখে শেষবার পরীক্ষিত।

[4] ফতোয়া আরকাইভ, কামরাঙ্গীরচর, ঢাকা, মুফতি আব্দুর রহমান আব্দে রাব্বি, হেড অব ইফতা ডিপার্টমেন্ট,   https://fatwaarchive.com/fatwa/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B9, ১৬ই জুন, ২০২৪ তারিখে পরীক্ষিত। যোগাযোগঃ ইমেলঃ contact@fatwaarchive.com; WhatsApp: +880 1823-674090

[5] মাসিক আলকাউসার - The Monthly Al Kawsar এর ফেসবুক পেজ এ ২৩ জুলাই ২০২০ খৃষ্টাব্দে প্রকাশিত কুরবানী বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর (১ম পর্ব), উত্তর প্রদানে: ফতোয়া বিভাগ, মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা, https://www.facebook.com/alkawsarbd/posts/pfbid02tZSLV2ZgK3ctvfDorYCfSN35NkDxRGUxTcSbSQ9NqExf4ftEUhNKGQ9vbYRLpFTGl, ১৬ জুন ২০২৪ তারিখে শেষবার পরীক্ষিত।

[6] Rules of Qurbani, Mufti Muhammad Shoaibb, Publish: Saturday, 10 August, 2019, এখানে পাওয়া যাবেঃ https://www.daily-sun.com/printversion/details/414821, ১৬ জুন ২০২৪ তারিখে শেষবার পরীক্ষিত।

[7] ইফা, কুরবানি ও আকিকা সংক্রান্ত মাসআলা-মাসায়েল, সম্পাদনা পরিষদ, ইসলামিক ফাউনডেশন, ঢাকা, তৃতীয় সংস্করণ, অক্টোবর ২০১১, ISBN: 984-06-1036-9, পৃষ্ঠা ৯, ১০।

[8] ইফা, ২০১১, ঐ, পৃষ্ঠা ১১।

[9] Khalil, M.B.M.; Nassar, S.H. (2021), The Chosen Opinion of Imam Al-Asbijabi in His Explanation of The Summary of Al-Tahawi A Comparison Fiqhi Studypurification of Wells as A Sample,

 [10] অনলাইন বইয়ের দোকান কিতাবুন ডট কম বইটি Al Muhit al-Burhani fi Fiqh al-Numani নামে নয় ভলিউমে বইটি বিক্রি করছেঃ https://kitaabun.com/shopping3/muhit-burhani-fiqh-numani-arabic-only-p-4893.html, ১৬ জুন ২০২৪ তারিখে এই লিঙ্ক পরীক্ষিত।

[11] মাদানি বুক স্টোর এর ওয়েবসাইটঃ https://islam786books.com/index.php?main_page=product_info&products_id=6444, ১৬ জুন ২০২৪ তারিখে পরীক্ষিত।

[12] Qasmi, M.K. (2017), The Orientation and Approach of Indian Ulama in Resolving Contemporary Issues through Islamic

Jurisprudence in Modern India, published at Academia.edu, https://www.academia.edu/37196041/The_Orientation_and_Approach_of_Indian_Ulama_in_Resolving_Contemporary_Issues_through_Islamic_Jurisprudence, ১৬ জুন, ২০২৪ তারিখা পরীক্ষিত।

[13] উইকিপিডিয়া, https://en.wikipedia.org/wiki/Bada%27i%27_al-Sana%27i%27, ১৬ জুন, ২০২৪ তারিখা পরীক্ষিত।

[14] উইকিপিডিয়া, https://en.wikipedia.org/wiki/Al-Kasani, ১৬ জুন ২০২৪ তারিখে পরীক্ষিত।

[15] উৎসঃ ঐ।

[16] উইকিপিডিয়া, https://en.wikipedia.org/wiki/Radd_al-Muhtar, ১৬ জুন ২০২৪ তারিখে পরীক্ষিত।

[17] উইকিপিডিয়া, https://en.wikipedia.org/wiki/Ibn_Abidin, ১৬ জুন ২০২৪ তারিখে পরীক্ষিত।

[18] উইকিপিডিয়া, আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দীয়া, https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B2-%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%86%E0%A6%B2-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE, ১৬ জুন ২০২৪ তারিখে পরীক্ষিত।

[19] উইকিপিডিয়া, আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দীয়া, ঐ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন