বুধবার, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬

প্রতিবেশীর হকঃ জেনেভা ক্যাম্প ও কড়াইল বস্তিতে গুলশান ও ধানমণ্ডি বাসিদের কর্তব্য

তিনদিন আগে আমার ব্লগে আমি লিখি গুলশানের পাশের কড়াইল বস্তি এবং ধানমন্ডির পাশের জেনেভা ক্যাম্পের মানুষদের ভালোমন্দ এক সুতোয় গাঁথা। গুলশানের এবং ধানমন্ডির মানুষরা তাদের গরীব প্রতিবেশীদের ভালো মন্দের খোঁজ খবর না রাখলে একসময় নিজের সীমানার পাশে উৎকট বৈষম্য ও দারিদ্র বেড়ে উঠতে দেয়া তাদের অভিশাপে পরিণত হবে। সৌদি আরব যেমন ইয়েমেনে পর্যুদস্ত হচ্ছে তেমন।

আজ দৈনিক ইত্তেফাকের শেষ পাতায় জেনেভা ক্যাম্প নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন বের হয়েছে। http://www.ittefaq.com.bd/…/last-page/2016/12/21/163884.html

জেলাপ্রশাসন থেকে মাসে মাথাপিছু তিন কেজি গমের বরাদ্দ থাকলেও 2003 সাল থেকে তা বন্ধ রয়েছে। 42 হাজার বর্গফুট এলাকায় সাড়ে পাঁচ হাজার পরিবারের প্রায় 40 হাজার মানুষ বাস। 8 ফুট দৈর্ঘ্য ও 8 ফুট প্রস্থের ঘরে 10 থেকে 12 জন মানুষের বাস। ঘরের অন্ধকার দূর করতে সারাক্ষন বাতি জ্বালিয়ে রাখতে হয়। রান্না মাটির চুলায়। 40 হাজার মানুষের জন্য শৌচাগার মাত্র দেড়শ।

ক্যাম্পের অধিকাংশ বাসিন্দাদের জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে। প্রশ্ন ওঠে সবার তা নেই কেন?

ক্যাম্পের অধিকাংশ মানুষই দিন মজুর। কেউ রিকশা চালায়, কেউ ঠেলা গাড়ী। কেউ মুচি, নাপিত, ধোপা, কসাইয়ের কাজ করে। তরুণরা ওয়ার্কশপে, ইলেকট্রিক, ইলেকট্রনিক্সের কাজ করে। কেউ কাপড়ে জরির কাজ করে।

আমরা ধানমন্ডি নিবাসীদের আহবান জানাই আপনারা আপনাদের প্রতিবেশী জেনেভা ক্যাম্প পরিদর্শন করুন, ওদের দুঃখ কষ্টের ভাগিদার হউন। আপনাদের যাকাত ফিতরা ওদের দান করুন।

গুলশানের অধিবাসীদের আহবান জানাই আপনারা কড়াইল বস্তি পরিদর্শন করুন, ওদের দুঃখ কষ্টের ভাগিদার হউন।

ধানমন্ডি ও গুলশানে অধিবাসীদের বিদ্যমান সমিতি (http://www.gulshansociety.com/) এই দায়িত্ব গ্রহণ করুক।
আপনাদের দানে, সহমর্মিতায় এই দুস্থ মানুষগুলোর জীবনে কিছু স্বস্তি আসুক। ইসলাম সকলকে তার প্রতিবেশীর ভালোমন্দের খোঁজ নিতে দায়িত্ব দিয়েছে, সেই দায়িত্ব পালন করুন।

পবিত্র কুরান মজিদে আল্লাহ্‌ পাক ইরশাদ করেছেন
"36. Serve Allah, and join not any partners with Him; and do good- to parents, kinsfolk, orphans, those in need, neighbours who are near, neighbours who are strangers, the companion by your side, the wayfarer (ye meet), and what your right hands possess: For Allah loveth not the arrogant, the vainglorious;- (সুরা নিসা, আয়াত ৩৬) " http://www.islam101.com/quran/yusufAli/QURAN/4.htm

এই উদ্যোগ আপনাদের জীবনে কল্যাণ বয়ে আনবে।

Discrepancy in the 7th Five Year Plan FY 2016-2020: Forest cover of 20% or 15%?

At Section 6.5 DEVELOPMENT RESULTS FRAMEWORK (DRF) FOR MONITORING THE SEVENTH FIVE YEAR PLAN (2016-2020) the 7th FYP sets a target to achieve 15% percentage of land covered by forestry with 70% tree density in 2010, the last year for the implementation of the Plan. (Section 6.5 DEVELOPMENT RESULTS FRAMEWORK (DRF) FOR MONITORING THE SEVENTH FIVE YEAR PLAN (2016-2020), Part 1, Chapter 6: MONITORING AND EVALUATION.)

But this target is stated to be 20% in the Forestry Sector Master Plan (1995- 2015) at Part 2, Chapter 4 Section 4.5, Forestry Sub-sector.

Why it is 15% in 2020 here?

The following explanation is provided: "The development vision of the forestry sub-sector is to expand forest resources of the country for maintaining ecological balance and sustainable economic growth. In Forestry Sector Master Plan (1995- 2015) a target was fixed to achieve 20 percent forest coverage by the end of 2015. But now it is clear that it is not achievable at all because in a land scarce country like Bangladesh there is hardly any scope to spare additional lands for forestry except newly accreted chars in the Bay of Bengal. "

This rationale and this whole statement of the 7th FYP is in direct contradiction with the Vision 2021 and also the rest of the 7th FYP.

The Table 2.1: 7th Five Year Plan Targets in Context in the Environmental Sustainability category contains at Item, No. 50, 'the target of Productive Forest Coverage (%) (70 % tree density) in the country'. The Table states that the forest coverage with 70% tree cover was 13% in the Base Year 2010, the Vision 2021 sets the target at 20%, the Progress under 6FYP 2015 was 13.14% and the 7th 2020 FYP sets the target at 20%.

Also, at Section 8.3 KEY OBJECTIVES UNDER THE 7THFYP, the FYP states the following:

"To achieve tree cover over 20% of the land surface (with tree density > 70%) and ecologically healthy native forests are restored and protected in all public forest lands (about 16% of land):

1. Ensure greater contribution of the forestry sector in the economic development
2. Strengthen forestry extension activities to transfer improved technology and research information to end-users, e.g., local people and private homesteads
3. Expand forest resources, make the forests adequately productive
4. Conserve Sundarbans mangrove forest without any further deforestation and forest degradation.
5. Develop institutional capabilities including human resource and involve local people as much as possible in forestry activities
6. Develop capacity of national government and regional/local offices to map and analyse land use through data-driven approaches/GIS
7. Further promote the people oriented programmes covering forestry on marginal lands, char lands, road sides, etc.
8. Ensure no forest land shall be converted for non-forest use.
9. Ensure no commercial plantation in protected forest area where only native species for enrichment and restoration purposes can be undertaken.
10. Ensure all PA management shall be inclusive of and respectful to the rights of the forest dwellers.
11. Consider out-sourcing forest protection measures, utilizing community members on the ground as forest stewards.

Why is this discrepancy in the country's most important planing instrument, the 7th Five Year Plan? Why was the statement at Section 6.5 added?

সোমবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৬

পটিয়ায় জলকস্ট

পটিয়ায় জলকস্ট

Thousands suffer from acute drinking water crisis in Patiya.

পটিয়ার চারটি গ্রামে নলকূপে পানি উঠছেনা বলে সেখানকার প্রায় চল্লিশ হাজার বাসিন্দাদের জলকস্ট হচ্ছে। গত চব্বিশ বছরে এই এলাকায়  অপরিকল্পিত শিল্পায়নের ফলে ভুতলের পানি অধিক ব্যবহার হয়েছে তাই এখন নলকূপে আর পানি উঠছেনা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি বেলা গত 2015 সালে হাইকোর্টে একটি রীট মামলা করে। কোর্ট গত 29 জানুয়ারী 2015 তারিখে আটটি কারখানাকে ভুতলের পানি উত্তোলন করতে নিষেধ করে। স্থানীয়রা অভিযোগ করে শুধু বনফুল মিনারেল পানি কারখানা উত্তোলন স্থগিত করে, কিন্তু অন্য শিল্প গুলো উত্তোলন অব্যাহত রাখে।

26 নভেম্বর 2016 তারিখে আদালত জনস্বাস্থ প্রকৌশল অধিদপ্তরকে বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন তৈরি করতে আদেশ দেয়। কিন্তু অধিদপ্তরটি এখনো কোনো প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেনি বলে জানান বেলা প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। আমরা এলাকাটিকে জলকষ্ট বা ওয়াটার স্ট্রেসড এলাকা বলে ঘোষণার দাবি করে আদালতে দরখাস্ত করেছি, কারণ যদি তা করা হয় তবে এলাকার জলব্যবহার আইনে নির্ধারিত অগ্রক্রম অনুসারে নির্ধারিত হবে, যথা পানীয় এবং গৃহস্থালির ব্যবহার্য পানির ব্যবহার অগ্রাধিকার পাবে।

খবর দি ডেইলী স্টার। ১৮.১২.২০১৬

শনিবার, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৬

ইয়েমেন বিস্ময়

জানা গেলো 2024 সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ ঘটবে বাংলাদেশের, সাথে জিবুতি ও ইয়েমেন। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন গত মঙ্গলবারে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা বলেছে। খবর দি ডেইলি স্টার।

তাজ্জব কথা, ইয়েমেন স্বল্পোন্নত দেশ? তা কি করে সম্ভব? আরব উপদ্বীপে সকল দেশ অসম্ভব রকম ধনী। এরা সপ্তাহের সাত দিন ব্যবহারের জন্য সাতটি ভিন্ন রঙের অতি মূল্যবান গাড়ি গ্যারেজে রাখে, বহুমূল্য দৌড়ের ঘোড়া কিনে, নাইটক্লাবে ডলার নোটের বৃষ্টি ঘটিয়ে আনন্দ লাভ করে।

সেই আরব উপদ্বীপে একটি দেশ স্বল্পোন্নত থেকে যায় কি করে?

বিশেষ করে সৌদি আরবের পাশের দেশটি, যে দেশের সাথে ইসলামের প্রথম যুগের বহু স্মৃতি জড়িত। সৌদি আরব রূপকথার রাজ্যের মত ধনশালী দেশ। তার দেয়ালের অন্য পাশে এই ঘটনা কি করে ঘটে?

আজ সৌদি আরব ইয়েমেনে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িত। এতে তার নিজের দেশের রক্তক্ষরণ ও কম হয়নি। যুদ্ধের বিপুল ব্যয় ও তেলের মূল্যহ্রাস মিলে সৌদি আরব ধনী হওয়ার পর এই প্রথম আর্থিক দুশ্চিন্তায় পড়েছে। দেশে জঙ্গি হামলার পথ খুলেছে। দেশে বিদেশে অসম্মান ও নিন্দা জুটেছে।

সৌদি আরব যদি আগে তার সীমানার পাশের দেশটির সাথে সুসম্পর্ক রাখতো, সেখানে বিনিয়োগ করতো আমেরিকার বন্ড না কিনে, শিল্প কারখানা গড়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতো, দান খয়রাত করতো, বেড়াতে যেত তবে ইয়েমেনের অর্থনীতি স্বল্পোন্নত হয়ে থাকতোনা। আর সৌদি আরবকে আজকের এই ব্যয়বহুল যুদ্ধ করতে হতোনা।

দরিদ্র প্রতিবেশী বিপজ্জনক। দারিদ্র একটি ঝুঁকি, পভার্টি ইজ এ হ্যাজার্ড। দেশের সীমানার ঠিক অন্য পাড়ে এই নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে দেয়া অতি নির্বুদ্ধিতার পরিচয়। এতে গোলযোগ হওয়ার ষোলআনা সম্ভাবনা। আল্লাহ পাক তাই বলেছেন ক্ষুদ্র ফিৎনা ইবাদত, দান আর সদ্ব্যবহারে মিটে যায়। সৌদি আরব তা করেনি, আর তাই আজ ফিৎনা গ্রাস করেছে তার দেশকে।

মহানগরীয় নদী সুরক্ষা কমিটি গঠন

সরকার রাজধানী ঢাকা নগরীর চারটি নদী ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দূষণ রোধ ও নাব্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি খসড়া পরিকল্পনা দাখিল করবে। প্রয়োজনে তারা একটি কারিগরী কমিটি গঠন করবে। খবর দি ডেইলি স্টার, 16 ডিসেম্বর 2016.

.... কমিটিতে কারা আছেন তার বিবরণ দেয়া হয়নি। সম্ভবত সরকারের কিছু কর্মকর্তা থাকবেন সেখানে যাদের এ বিষয়ে কোনো ধ্যান ধারণা নেই। কমিটি গঠন কি কোনো প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে হয়েছে? তাহলে বাংলাদেশে গেজেটে সেই আদেশ পাওয়া যাবে, আর তাতে এই কমিটির আইনগত ভিত্তি কি, তাদের দায়িত্বের স্বরূপ জানা যাবে। সরকারের প্রজ্ঞাপিত আদেশ ছাড়া এরকম গণ দায়িত্ব অর্পণ করা সম্ভব নয়। সুস্পষ্ট আইনি ভিত্তি ছাড়া কমিটির কাজ করা কঠিন হবে। কারণ পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য তাদের গণশুনানী, আলোচনা, পরিদর্শন করতে হবে এবং তাদের পরিকল্পনার ভিত্তিতে গৃহীত কার্যক্রম মানুষের অধিকার, সম্পদ ও স্বাধীনতা আক্রান্ত করবে।

এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপিত আদেশটি খুঁজে বের করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৬

জাতীয় বননীতির চূড়ান্ত খসড়ায় (২০১৬) মত দিন! বন ও বন্যপ্রাণী বাঁচান!

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় জাতীয় বননীতির চূড়ান্ত খসড়া (২০১৬) প্রকাশ করেছে ও এই নীতির বিষয়ে গণ মত আহবান করেছে।

চূড়ান্ত খসড়াটি 
 http://fd.portal.gov.bd/sites/default/files/files/fd.portal.gov.bd/notices/5cf41be4_0bc0_4f49_bc62_897053e4dc80/Forestry%20Policy%20Final%20Draft%20(1).docx
 ওয়েব লিঙ্কে পাওয়া যাচ্ছে।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এই খসড়া নীতির বিষয়ে গণমত নীচের ইমেইলগুলোয় পাঠাতে বলেছেঃ
pablahsifs@gmail.com, smrahman6789@gmail.com, djcengel@hotmail.com

মতামত পাঠানোর কোন শেষ তারিখ খসড়ায় উল্লেখ করা হয়নি।

তবে অনুসন্ধানে দেখা যায় পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইট http://www.moef.gov.bd/, বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.bforest.gov.bd, বন অধিদপ্তরেরআরেকটি ওয়েবসাইট fd.portal.gov.bd কোনটিতেই মুল পাতায়, নোটিশ পাতায় বা আইন ও বিধির তালিকায় এই খসড়া বন নীতির কোন উল্লেখ নেই।




বিষয়টি ভালো করে পরীক্ষা করে দেখার জন্য আমরা www.bforest.gov.bd ও  fd.portal.gov.bd এর অনুসন্ধান বক্সে "National Forestry Policy, 2016 (Final Draft)" লিখে অনুসন্ধান করি। কিন্তু তাতে কোন ওয়েবসাইটেই এই নীতি সংক্রান্ত কোন খবর বা নীতির ভাষ্য উঠে আসেনি। শুধু গুগুল অনুসন্ধান যন্ত্রের সাহায্যে সাধারন অনুসন্ধানে আমরা খসড়াটির সন্ধান পাই ওপরে দেয়া লিঙ্কে।




খসড়া জাতীয় বননীতিটি পাঠ ও পর্যালোচনা করে সবাইকে সংশ্লিষ্ট ইমেইলে (ওপরে উল্লেখিত) মতামত পাঠানোর সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাই। বাংলাদেশের প্রায় বিলীন হতে চলা বনাঞ্চল ও বন্য প্রাণীর প্রতি আমাদের ভালবাসা ও দায়িত্ব পালনের এই সুবর্ণ সুযোগ।

এই খসড়া নীতি গৃহীত হওয়ার পর এই নীতি অনুসারেই আগামিতে বাংলাদেশের বন ও বন্য প্রানি ব্যাবস্থাপনা করা হবে। তাই এই নীতির গুরুত্ব অপরিসীম।

আমাদের জিজ্ঞাসা

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে, এবং বন অধিদপ্তরের দুটি ওয়েবসাইটের কোথাও অনুসন্ধানে এই নীতির খসড়া বা এ সংক্রান্ত কোন খবর নেই কেন আমরা এই প্রশ্ন রাখি। জনগণকে মতামত দিতে না জানালে জনগন কিভাবে মতামত দিবে?

বন অধিদপ্তরের জন্য এক্তির জায়গায় দুটি ভিন্ন ভিন্ন ওয়েবসাইট,  www.bforest.gov.bd ও  fd.portal.gov.bd রাখা হয়েছে কেন?  

জাতীয় সম্পদের এই অপচয় করা হচ্ছে কেন?

আমাদের দাবী

জাতীয় বন নীতি ২০১৬ (চূড়ান্ত খসড়া) বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশ করে আনুষ্ঠানিক ভাবে জনমত আহবানের দাবী জানাই।


****
এ সংক্রান্ত কোন তথ্য, আইন, নীতি, বা সাধারন জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুনঃ raihan.khalid@yahoo.com

সোমবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৬

বিচারকদের তিন বিধিমালার গেজেট প্রয়োজন নেই

জরুরি খবর!

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব স্বাক্ষরিত ১১.১২.২০১৬ইং তারিখের
১০.০০.০০০০.১২৮.০১৬.০১.১৩.১০৮২ নং পত্রে বলা হয়ঃ

"বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য পৃথক আচরণ বিধিমালা, শৃঙ্খলা বিধিমালা এবং বাংলাদেশ
জুডিশিয়াল সার্ভিস (সার্ভিস গঠন, সার্ভিস পদে নিয়োগ ও বরখাস্তকরণ, সাময়িক বরখাস্তকরণ ও অপসারণ) বিধিমালা-২০০৭ সংশোধনকল্পে সুপ্রিম কোর্টের প্রস্তাবিত খসড়া বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা নাই মর্মে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সানুগ্রহ সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন।

নোটিশটি এই ওয়েবপৃষ্ঠায় রয়েছেঃ  http://lawjusticediv.portal.gov.bd/site/notices/43561dd0-0a3d-4530-9079-c0c8bd06688a/Disciplinary-Rules-for-the-Judicial-Officers-এবং-Judicial-Officers-Conduct-Rules-প্রণ




নোটিশটি অতি সংক্ষিপ্ত, চার লাইনের। তবে এটি পাঠে প্রতীয়মান হয় যেঃ

১। রাষ্ট্রপতি উপরোক্ত তিনটি অধস্তন আইনের ভাষ্যে কোন আপত্তি করেননি;
২। রাষ্ট্রপতি উক্ত তিনটি প্রস্তাবিত আইনের চূড়ান্ত আইনে পরিণতি প্রাপ্তিতেও
কোন আপত্তি করেননি।
৩। আইন প্রনয়নের আগে জনগণের মতামত গ্রহনের জন্য খসড়া প্রকাশের প্রয়োজন নেই,
শুধু এই মাত্র বলেছেন।
৪। রাষ্ট্রপতির এই সিদ্ধান্তটিও বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়নি। শিরোনামে
নোটিশও বলা নেই।

সংবাদ মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের একটি ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সংবাদ পত্রের খবর
পড়ে এমন ধারণা হতে পারে যে রাষ্ট্রপতি এই তিনটি অধস্তন আইন প্রনয়নে বাধা দেয়ার
সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কার্যত তা নয়। রাষ্ট্রপতি কেবল আইনের খসড়া গেজেটে প্রকাশের
প্রয়োজন নেই বলেছেন।

এতে সুপ্রিম কোর্টের সুবিধা হল বলতে চাইবেন অনেকে। আইন প্রনয়নের আগে জনমত
যাচাইয়ের যে একটি গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া রয়েছে, তা আর করতে হবেনা।

তবে, একজন নাগরিক এবং আইনজীবী হিসাবে আমরা এতে খুশি হতে পারিনি।
সকল আইন প্রনয়নের আগে অবশ্যই তার খসড়া জনমত যাচাইয়ের জন্য জনসমক্ষে প্রকাশ
করতে হবে, যাতে জনগন তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারে, এবং সরকার জনগণের ইচ্ছা
অনুযায়ী আইনে যথাযথ পরিবর্তন আনতে পারে।

রবিবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৬

নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের সাহায্য করুন! দালাই লামা ও জাতিসংঘকে চিঠি লিখুন!

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মানুষেরা সে দেশের উগ্রবাদী বৌদ্ধদের হাতে হত্যা, ধর্ষণ, রাহাজানির শিকার হচ্ছে।

বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতা দালাই লামা এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার হাই কমিশনারের কাছে রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য চেয়ে আমি নীচের এই চিঠিটি গত ৭ই ডিসেম্বর ২০১৬ইং তারিখে লিখি।

আসুন, আমরা সবাই নিজেদের ইমেইল থেকে দালাই লামা ও জাতিসংঘের মানবাধিকার হাই-কমিশনারের কাছে রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য চেয়ে চিঠি লিখি। রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশ্ব জনমত গড়ে তুলি।

চিঠির একটি ভাষ্য আমি নীচে দিচ্ছি। এই ভাষ্য নকল করে আপনার ইমেইল থেকে ohhdl@dalailama.com; webmaster@dalailama.com; haveyoursay@bbc.co.uk; newsdesk@independent.co.uk; info@kofiannanfoundation.org; InfoDesk@ohchr.org; civilsociety@ohchr.org; editor@thedailystar.net ঠিকানাগুলিতে তা পাঠিয়ে দিন।

চিঠির ভাষ্য এখানে পাওয়া যাবেঃ DALAI LAMA! Please save the Rohingyas from the atrocities of the Buddhist people of Myanmar!

গত বৃহস্পতি বার দিন ৭০ জন ব্রিটিশ এমপি রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য চেয়ে এক বিবৃতি প্রকাশ করেন।


----

পুনশ্চঃ গত ৮ই ডিসেম্বর ২০১৬ইং জাতিসংঘ একটি 'নোট টু করেস্পনডেন্স' প্রকাশ করে। এতে জাতিসংঘ এই বিবৃতি দেয়ঃ


বুধবার, ডিসেম্বর ০৭, ২০১৬

DALAI LAMA! Please save the Rohingyas from the atrocities of the Buddhist people of Myanmar!


The Rohingyas of Myanmar are the world's most persecuted people.  Rejected by the country they call home and unwanted by its neighbours, the Rohingya are impoverished, virtually stateless and have been fleeing Myanmar in droves and for decades.

Kofi Annan, the former head of the United Nations, who leads a commission that was formed in August to study conditions in Rakhine, said in Myanmar on Tuesday that he was “deeply concerned” by reports of human rights abuses in the country’s restive Rakhine State, where dozens of Rohingya Muslims are said to have been killed since October in a crackdown by the military.

The international media has reported Video showing alleged site of mass murder of Rohingya Muslims by soldiers. Activists have relayed stories of rapes, arson, targeted killings and other atrocities said to have been committed against the Rohingya there by the army since Oct. 9, when insurgents killed nine police officers in attacks on border posts.

When the global community is expressing their deep concern against these atrocities against the Rohingyas, the State of Myanmar and its current leader Aung San Suu Kyi’s failure to defend the Rohingya is extremely disappointing; an outrage, say some observers"The point is that Aung San Suu Kyi is covering up this crime perpetrated by the military", said Tun Khin, who for years had supported her democracy activism.

Under these circumstances we call upon you as the humanitarian, spiritual and cultural leader of the conscious people of the world and of the Buddhist people to come forward in the aid of the persecuted Rohingya people of Myanmar; and also to call upon the Buddhist people of Myamnar and their leader Ms. Aung San Suu Kyi to bring an end to the atrocities against the Rohingya people.

We must act fast; because "people are dying day by day and time is running out." And they need your help.