মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৬, ২০১৬

Europe has fallen from its moral high-ground

People fleeing war are refugees and refugees cannot be sent back

"Conflicts from South Sudan to Syria to Afghanistan have sent millions fleeing, seeking the relative safety of Europe’s shores, but that puts new strains on countries and local communities, and threatens to distort our politics". 11th paragraph from beginning
"Our freedom, our quality of life remains the envy of the world, so much so that parents are willing to walk across deserts, and cross the seas on makeshift rafts, and risk everything in the hope of giving their children the blessings that we -- that you -- enjoy". 26th paragraph from beginning.
"And I think of so many Germans and people across Europe who have welcomed migrants into their homes, because, as one woman in Berlin said, “we needed to do something.” Just that human impulse to help. And I think of the refugee who said, “I want to teach my kids the value of working.” That human impulse to see the next generation have hope". 7th paragraph from end
President Barak Obama's speech in Hannove Messe Fairgrounds Hannover, Germany, yesterday, April 25, 2016. Avalable athttps://www.whitehouse.gov/…/remarks-president-obama-addres…

We ask this:

If the people are 'fleeing' 'conflicts' (11th paragraph from beginning), then are they 'migrants' (7th paragraph from end) or refugees?
We have already made our opinion public, the law says that they are not migrants, but refugees; and therefore can not be sent back.
We also ask, these people are fleeing a war which was started by the leadership of USA and the European Union in the 1990s, should they not be responsible for the refugees? Should Russia also not be responsible for the widows and orphans of the people that they have just killed in Syria with their airstrikes?
But these are not legal questions, they are moral questions. The law is well established, and it dictates:

people fleeing war are refugees and refugees cannot be sent back; period.

The decline of the European moral standard

It shocks us to see that Europe has fallen from its moral high-ground. It is a bad news for all humanity; for Europe, since the end of the WWII, has been the global leader of democracy and all things good. The decline of the European moral standard signals a major shift in the world balance, and this will not come at a lesser price.
It is only the beginning of more things bleak.

রবিবার, এপ্রিল ২৪, ২০১৬

বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (বি.জি. প্রেস) ডাটাবেজে ১৯৯২ থেকে ২০১০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ১৯ বছরের কোন রুলস (বিধি) নেই।

বিজি প্রেস

বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (বি.জি.প্রেসজনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর মুদ্রণ  প্রকাশনা অধিদপ্তরাধীন একটি সরকারিপ্রতিষ্ঠান সরকারের যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রণ কাজ- যেমন আইন, বাজেটরিপোর্টআদেশপত্রঅর্থনৈতিক সমীক্ষাজার্নালফরম মুদ্রণ  প্রকাশনার কাজ এই বি.জি.প্রেস করে থাকে।


বাংলাদেশ গেজেট প্রকাশ করা এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম কর্তব্য। সুখের কথা, কিছু কাল আগে থেকে এই  প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটটি একটি সরকারী ডাটাবেজ হিসাবে কাজ করতে শুরু করে। ডিজিটাল বাংলাদেশের শ্লোগানের সাথে মিল রেখে প্রকাশ হওয়া সকল আইন, সরকারী আদেশ ইত্যাদি এই ডাটাবেজে প্রকাশিত হতে থাকে। তবে খুব বেশি মানুষ যে এই ওয়েবসাইটটি ব্যাবহার করেন এমন বোধ হয়না।

এই ডাটাবেজটি ব্যাবহার বান্ধব নয়

এই ডাটাবেজটি ব্যাবহার বান্ধব নয়, যেমন যদিও এখন বাংলাদেশের সকল আইন বাংলায় প্রকাশিত হয়, কিন্তু এই ডাটাবেজে বাংলায় সার্চ করা যায়না, শুধু ইংরেজিতে করা যায়। পেজের ডান দিকে নিচে ইমেইল গ্রাহকদের তালিকাভুক্তির ব্যাবস্থা আছে, আমি গত দুই বৎসরে বহুবার আমার ইমেইল সেখানে যোগ করেছি, সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার, কিন্তু আজ অবধি কোন প্রকাশনার খবর তো দূরে থাক, গ্রাহক হবার নিশ্চয়তাটুকু পর্যন্ত সেখান থেকে আসেনি। অনুমান হয়, এটি কেবল দেখাবার জন্য, কার্যকর নয়।
১৯৯২ খ্রি থেকে ২০১০ খ্রি পর্যন্ত কোন Rules বা বিধি এই ডাটাবেজে নেই।
সম্পূর্ণ অনুসন্ধান ফলঃ লক্ষ্য করুন ১০ মার্চ ১৯৯২ তারিখের ভুক্তির পরবর্তী ভুক্তি ১১ এপ্রিল ২০১১ তারিখের; মাঝখানের ১৯ বছরের কোন ভুক্তি নেই। দুটোই ২৩.০৪.২০১৬ তারিখের স্ক্রিনশট।




তবে বিষয় আরও গুরুতর। 

গতকাল একটি আইনের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে আমরা এই ডাটাবেজের একটি মারাত্মক ঘাটতি লক্ষ করি। দেখা যায় বিধি (রুলস)র ভুক্তি শুরু হয়েছে ১৯৭৫ সালে আর আছে একেবারে চলতি মাস পর্যন্ত, যা খুবই আশাব্যাঞ্জক। তবে নিবিষ্ট অনুসন্ধানে দেখা গেলো ১৯৯২ খ্রি থেকে ২০১০ খ্রি পর্যন্ত কোন Rules বা বিধি এই ডাটাবেজে নেই।

দেশ পরিচালনার প্রধান অনুষঙ্গ আইন কানুন। আর আইনকানুন মানুষের কাছে  পৌঁছে দেওয়ার ব্যাবস্থা করাই এই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। ডিজিটাল যুগে সে দায়িত্ব ডিজিটাল উপায়ে সাধিত হবে, তাই স্বাভাবিক; আর তাই রাষ্ট্রের অর্থ ব্যায়ে এই ডাটাবেজ সংরক্ষন। কিন্তু এই ডাটাবেজ কি আইন প্রচার করছে, না আইন গোপন করছে? কোথায় আছে ডিজিটাল বাংলাদেশ? 

জনগনের অর্থে তৈরি করা এই ডাটাবেজ কি তবে কেবল লোক দেখানো?

বুধবার, এপ্রিল ২০, ২০১৬

বাংলাদেশ অংশগ্রহনমুলক পানি ব্যাবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৪ এর ভেল্কি! / Bangladesh Participatory Water Management Rules, 2014

Participatory Water Management Rules, 2014

বাংলাদেশের কৃষি ব্যাবস্থা ধ্বংসের চক্রান্ত!

সুখবর! বাংলাদেশ সরকার অংশগ্রহনমুলক পানি ব্যাবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৪ তৈরি করেছে। যারা এখনও পাননি, তাদের জন্য।
এস, আর, ও নং ২৩-২০১৪।-- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড আইন, ২০০০ (২০০০ সালের ২৬ নং আইন) এর ধারা ২৫, ধারা ৬(১) এর দফা (ঠ) এর সহিত পঠিতব্য, এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার অংশগ্রহণমূলক পানি ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৪ নামে প্রণয়ন।
http://www.dpp.gov.bd/upload_file/gazettes/7147_19286.pdf


মজার ব্যাপার হল "অংশগ্রহনমুলক পানি ব্যাবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৪" লিখে গুগুলে সার্চ করে দেখুন, কোন রেজাল্ট পাবেন না। পানি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে খুজে দেখুন এই বিধিমালা পাবেন না; WARPO, BWDB এর ওয়েবসাইটে খুজে দেখুন পাবেন না। শুধু dpp.gov.bd ছাড়া আর কোথাও এই আইন নেই; খবরে খুজে দেখুন কোন পত্রিকার পাতায় এর খবর ছাপা হয়নি।
এ এক আজব ভেল্কি বাজী!

আজ সকালে (২১.০৪.২০১৬) করা সার্চের স্ক্রিন প্রিন্ট


কাল রাতের মধ্যে, আমি অভিযোগ করার পর bluegoldbd.org আর ADB ওয়েবসাইটে ইংরেজিতে এর নাম যোগ করা হয়েছে।তবে এরা সবই বিদেশি ওয়েবসাইট, এখনও কোন বাংলাদেশ সরকার ওয়েবসাইট এই আইনের উল্লেখ পাওয়া যায়না। পানি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট যেখানে এর কথা থাকার কথা, সেখানে নেই। আফসোস, কাল কেন স্ক্রিন প্রিন্ট করলাম না!

আজ সকালে (২১.০৪.২০১৬) করা ইংরেজি সার্চের স্ক্রিন প্রিন্ট
আশ্চর্য কাণ্ড! সরকার ২০১৪ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে এই রুলস তৈরি করলো, কিন্ত এখনও পানি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এর উল্লেখ নাই কেন? এই মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে কোন পানি আইনের নাম নেই কেন? 
WARPO ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের পানি আইনের তালিকা। এখানে এই রুলসের নাম নেই,। স্ক্রিনশট আজ সকালে (২১.০৪.২০১৬) নেয়া।